1. m.a.roufekhc1@gmail.com : alokitokha :
দীঘিনালায় জাঁকজমকভাবে ৪ ইস্ট বেঙ্গলের ৬৩ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন - আলোকিত খাগড়াছড়ি

দীঘিনালায় জাঁকজমকভাবে ৪ ইস্ট বেঙ্গলের ৬৩ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

  • প্রকাশিতঃ সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ২৭ বার পড়া হয়েছে
হাসান মোর্শেদ, দীঘিনালা:
খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় ৪ ইস্ট বেঙ্গল (দি বেবি টাইগার্স)-এর ৬৩ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে দীঘিনালা জোন সদর প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী
আলোচনা সভা, প্রদর্শনী, কেক কাটা ও প্রীতিভোজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি ২০৩ পদাতিক ব্রিগেড খাগড়াছড়ি রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কে. এম. ওবায়দুল হক, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি।
দীঘিনালা জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আল-আমিন, এসইউপি, পিএসসি-এর নির্দেশনায় অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয়। এতে বিভিন্ন জোনের জোন কমান্ডার, সেনা কর্মকর্তা ও সৈনিকবৃন্দ, আনসার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. তানজিল পারভেজ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তনয় তালুকদারসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, মুক্তিযোদ্ধা, ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যমকর্মীরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
আলোচনা সভায় ৪ ইস্ট বেঙ্গলের গৌরবময় ইতিহাস তুলে ধরা হয়। ব্রিগেডের সদস্যরা স্বাধীনতা পূর্ব ওয়েস্ট বেঙ্গল গঠিত হওয়ার পর দেশ ও পার্বত্য অঞ্চলের সুরক্ষা, শান্তি ও উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। এছাড়া স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে স্থানীয় জনগণের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক উন্নয়ন এবং সশস্ত্র বাহিনীর পাশাপাশি দুঃস্থ ও দুর্গম এলাকায় জনকল্যাণমূলক কাজেও তাদের ভূমিকা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
প্রদর্শনীতে এ সকল অর্জন ও স্মৃতিচিহ্ন উপস্থাপন করা হয়, যা উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করে।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, সেনাবাহিনী শুধু দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নয়, পার্বত্যাঞ্চলে শান্তি, উন্নয়ন ও জনগণের আস্থা অর্জনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তিনি স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সহযোগিতা ও সম্প্রীতি বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠান শেষে সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক সম্পর্ক বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়। সংশ্লিষ্টরা জানান, এ ধরনের আয়োজন সশস্ত্র বাহিনী ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে আস্থা ও বন্ধন আরও সুদৃঢ় করতে সহায়ক হবে এবং দীঘিনালার শান্তি ও উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ