বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:২৮ পূর্বাহ্ন
নিউজ ডেস্ক:
যদি আপনার পরিবারে কোলেস্টেরল থাকে তাহলে আপনারও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি থাকবে। কারণ কোলেস্টেরলের সঙ্গে হার্টের অসুখের একটা সম্পর্ক আছে। শুধু তাই নয়, একেবারে প্রত্যক্ষভাবেই আছে।
আপনি বাইরে থেকে একদম সুস্থ আছেন। শুধু জোরে হাঁটাহাঁটি বা সিঁড়ি ভাঙলে হাঁপিয়ে উঠছেন। এটি অবশ্য কমবেশি সবারই হয়- এমনটি ভাবছেন, নির্ভার থাকছেন। কিন্তু আপনি বুঝতে পারছেন না চুপিসারে রক্তে কখন মিশে গেছে একগাদা খারাপ কোলেস্টেরল। ‘এলডিএল’ বা লো ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিনকেই খারাপ কোলেস্টেরল বলে, যা নাকি জিনগতভাবে পরবর্তী প্রজন্মের মধ্যেও আসতে পারে। তাই সতর্ক থাকতেই বলা হয়। কখন বুঝবেন সতর্ক হওয়ার সময় এসেছে?
রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়লে তা হৃদরোগের ঝুঁকি নিশ্চিতভাবেই বাড়িয়ে দেয়। এ কোলেস্টেরল বৃদ্ধির বিষয়টিও আবার অনেক ক্ষেত্রেই বংশানুক্রমিক হয়ে থাকে। দাদা-দাদি কিংবা বাবা-মায়ের থেকে ছেলেমেয়েদেরও হাইপার কোলেস্টেরল হওয়ার আশঙ্কা থাকে কম বয়স থেকেই। তবে সেটি পরীক্ষা ছাড়া চট করে বোঝা সম্ভব হয় না। সেই না-বোঝা থেকেই অনেক সময়ে বিপদ ঘটে যায়।
এ বিষয়ে হার্টের চিকিৎসক সুশান মুখোপাধ্যায় বলেছেন, পরিবারে যদি হাইপার কোলেস্টেরলের ইতিহাস থেকে থাকে, তাহলে কম বয়স থেকেই, এই যেমন— ২০-২৫ বছর থেকেই রক্তপরীক্ষার মাধ্যমে কোলেস্টেরলের পরিমাণ পরীক্ষা করা উচিত।
লিপিড প্রোফাইল টেস্ট করে খুব সহজেই দেখা যেতে পারে কোলেস্টেরল স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি কিনা। কোলেস্টেরল বেড়ে যাওয়া মানেই ধরে নেওয়া হয়— হার্টের অবস্থা ভালো নেই। আর হৃদরোগ হানা দিতে পারে যখন-তখন। প্রত্যেকের শরীরে রয়েছে অজস্র ধমনি। শরীরে যেমন মেদ জমছে, ঠিক তেমনই এই ধমনিগুলোতেও মেদ জমে যায়। চিকিৎসাবিজ্ঞানে যাকে বলা হয় অ্যাথেরোসক্লেরোসিস। এর জন্য কোলেস্টেরলকেই দায়ী করা হয়ে থাকে।
সে জন্য আপনার সতর্ক হওয়া উচিত। ২০ বছরের পর থেকেই সতর্ক হওয়া খুবই জরুরি। আবার যদি স্থূলত্ব বা ডায়াবেটিস কম বয়স থেকেই থাকে, তাহলে একদমেই দেরি করা চলবে না। সবচেয়ে আগে সি-রিঅ্যাকটিভ প্রোটিন টেস্ট করিয়ে নিতে হবে।