হাসান মোর্শেদ, দীঘিনালা:
খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় টানা দুই দিনের ভারি বর্ষণে উপজেলার মাইনী নদীর পানি বিপদসীমার কাছাকাছি পৌঁছেছে। ফলে মেরুং ও কবাখালী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।
বুধবার (৯ জুলাই) দুপুরের পর থেকে দীঘিনালা-লংগদু সড়কের বড়মেরুং অংশ পানির নিচে চলে যাওয়ায় দীঘিনালার সঙ্গে রাঙামাটির লংগদুর সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে গেছে।
মাইনী নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় দুই তীরের বিস্তীর্ণ ফসলি জমি ও বসতবাড়ি ডুবে গেছে। এর মধ্যে মেরুং ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তত ২৩টি পরিবার আশ্রয় নিয়েছে ছোট মেরুং বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মিনা চাকমা জানান, “আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানকারীদের জন্য রান্না করা ও শুকনো খাবার সরবরাহের প্রস্তুতি চলছে।”
অন্যদিকে, কবাখালী ইউনিয়নের উত্তর ও দক্ষিণ মিলনপুর এলাকার অন্তত ১৯টি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আরও ৮টি পরিবার আশ্রয় নিয়েছে শান্তিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নলেজ চাকমা (জ্ঞান) জানান, “যারা আশ্রয় নিয়েছে তাদের জন্য রান্না করা খাবার এবং শুকনো খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে।”