1. m.a.roufekhc1@gmail.com : alokitokha :
দীঘিনালায় আবুল খায়ের টোব্যাকো কোম্পানির বিরুদ্ধে তামাক চাষীদের বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ - আলোকিত খাগড়াছড়ি

দীঘিনালায় আবুল খায়ের টোব্যাকো কোম্পানির বিরুদ্ধে তামাক চাষীদের বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ

  • প্রকাশিতঃ শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬
  • ২০ বার পড়া হয়েছে
হাসান মোর্শেদ, দীঘিনালা:
খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় আবুল খায়ের টোব্যাকো কোম্পানির বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত তামাক চাষীরা।
শুক্রবার (৮ মে) দুপুর ১২ টার দিকে উপজেলার বোয়ালখালী বাজার থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে কলেজ গেইট এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া চাষীদের অভিযোগ, বিভিন্ন প্রলোভন ও ঋণ সুবিধার মাধ্যমে তাদের তামাক চাষে উদ্বুদ্ধ করা হলেও পাতা বিক্রির মৌসুমে কোম্পানি ন্যায্য মূল্য দিচ্ছে না। এছাড়া উৎপাদিত সব তামাক পাতা না কিনে কেবল ঋণের টাকার সমপরিমাণ পাতা ক্রয় করা হচ্ছে। এতে শতাধিক চাষী আর্থিক সংকটে পড়েছেন বলে দাবি করেন তারা।
চাষীরা জানান, প্রতি কানি জমিতে ১২ থেকে ১৪ বেল তামাক উৎপাদিত হলেও কোম্পানি মাত্র ৪ থেকে ৫ বেল পাতা গ্রহণ করছে। ফলে বিপুল পরিমাণ পাতা অবিক্রিত থেকে যাচ্ছে এবং উৎপাদন খরচ তুলতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের।
সমাবেশে স্থানীয় চাষী কালাম বলেন, ‘কোম্পানির কথায় আমরা ঋণ নিয়ে তামাক চাষ করেছি। কিন্তু এখন পাতা বিক্রির সময় তারা পর্যাপ্ত পাতা কিনছে না। এতে আমরা চরম বিপাকে পড়েছি।’
আরেক চাষী মিজানুর রহমান বলেন,
‘প্রতি কানিতে ১০ থেকে ১২ বেল তামাক উৎপাদন হয়েছে। কিন্তু কোম্পানি মাত্র ৪ থেকে ৫ বেল কিনছে। বাকি পাতা কোথায় বিক্রি করবো বুঝতে পারছি না। এখন ঋণ পরিশোধ নিয়েও দুশ্চিন্তায় আছি।’
চাষী শুভেন্দু চাকমা বলেন, ‘আগে মরিচ ও বেগুন চাষ করতাম। কোম্পানির পরামর্শে তামাক চাষ শুরু করি। এখন উৎপাদিত পাতা না কিনে আমাদের বিপদে ফেলে দিয়েছে।’
সমাবেশে চাষীরা কয়েক দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- নিজস্ব এলাকায় বাইনকোড চালু, প্রতি একর জমির প্রথম ধাপে ১২ থেকে ১৪ বেল পাতা গ্রহণ, ন্যায্য মূল্যে তামাক পাতা ক্রয়, দুই ধাপে ঋণ পরিশোধের সুযোগ এবং ৬০ শতাংশ কালো পাতা ক্রয় নিশ্চিত করা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ